• বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩৪ অপরাহ্ন
Headline
৫৬ হাজার বর্গমাইলের মানবিক অতন্দ্র প্রহরী হওয়ার সংকল্প: ‘নির্ভয়া বাংলাদেশ’-এর কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে কুবি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ বাস চালুর দাবি চিলমারীর চায়ের দোকানে নির্বাচনি আমেজ, জমছে আলোচনা–সমালোচনা প্রকাশিত হলো বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী ইশতেহার বিএনপি থেকে ইসলামী আন্দোলনে যোগদান, কুড়িগ্রাম–১ এ বদলাচ্ছে রাজনৈতিক সমীকরণ নদীর বুকে আশার আলো: হলোখানা ইউনিয়নে নদী তীরবর্তী মানুষের সেবায় আধুনিক সোলার নৌকা চালু। কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের আগমন ঘিরে মানুষের ঢল কুড়িগ্রামে ১০ম গ্রেড দাবিতে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, যান চলাচল বন্ধ গণভোট বিষয়ক আলোচনা সভায় পুণ্ড্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্রিয় অংশগ্রহণ নাগেশ্বরীতে বিরল ঘটনায় জন্ম নিলো কোমর থেকে যুক্ত যমজ শিশু

পানি বাড়ায় ভারত থেকে কালজানি নদী দিয়ে ভেসে আসছে হাজার হাজার গাছের গুড়ি ও গরু।

মোঃ দুর্জয় হাসান (কুড়িগ্রাম ) / ২৭২ Time View
Update : রবিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৫

ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামের নদনদীর পানি বাড়ছে। পানি বাড়ায় ভারত থেকে কালজানি নদী দিয়ে ভেসে আসছে হাজার হাজার গাছের গুড়ি। ধারণা করা হচ্ছে, বন হতে পানির স্রোতে এসব গাছ ভেসে আসছে। কাটা গাছের গুড়ির সঙ্গে শেকড়সহ উপড়ে আসা গাছও পাওয়া যাচ্ছে।

রোববার (৫ অক্টোবর) বিকেল থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নানা উপায়ে এসব গাছ নদী থেকে সংরক্ষণ করছেন তীরবর্তী মানুষ। বাংলাদেশের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের ঢলডাঙা, শালঝোড় এলাকায় কালজানি নদীর পাড় থেকে এসব তুলছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা জানান, ভেসে আসা বেশির ভাগ গাছ কেটে রাখা। কিছু গাছ শেকড়সহ আসছে। ধারণা করা হচ্ছে, পানির স্রোতে বন থেকে উপড়ে আসছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভুটান থেকে জয়গা এলাকা হয়ে হাসিমারা ফরেস্ট থেকে এসব কাঠ আসতে পারে। ভারতের সীমান্তবর্তী বাসিন্দাদের কাছ থেকে জানা গেছে। তারা বলছেন, কালজানির উজানে ভারতের হাসিমারা বনাঞ্চল রয়েছে। সেখানে বৃষ্টির পানি প্রবেশ করেছে এবং তীব্র স্রোত দেখা দিয়েছে।

ভুটান ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলা দিয়ে কালজানি নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। আশপাশের একাধিক বনাঞ্চল প্লাবিত হয়ে এসব কাঠের গুড়ি ভেসে আসতে পারে।

ওই এলাকার লেবু মিয়া ও নুর ইসলাম জানান, পানির উপরে খালি গাছ আর গাছ। মাঝে মধ্যে মরা গরুও আসতেছে। মনে হচ্ছে অলৌকিক ঘটনা। ঘাটিয়াল আবু সাইদ জানান, বিকেল ৩টার দিক থেকে গাছগুলো আসতেছে। যে যেভাবে পারে তুলছে। নদীর পানি ওইভাবে বাড়েনি। বন্যা হবে না।

শিলখুড়ি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইউসুফ আলী বলেন, শুধু গাছ দেখা যাচ্ছে। লোকজন নৌকা দিয়ে সাতরে গাছ ধরে আনছে। এতো গাছ কোত্থেকে আসতেছে বোঝা যাচ্ছে না। তবে ভারত থেকে আসতেছে এটা শিওর। এখনও বন্যা হওয়ার মতো হয়নি। বন্যা নাও হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category