• বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩৪ অপরাহ্ন
Headline
৫৬ হাজার বর্গমাইলের মানবিক অতন্দ্র প্রহরী হওয়ার সংকল্প: ‘নির্ভয়া বাংলাদেশ’-এর কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে কুবি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ বাস চালুর দাবি চিলমারীর চায়ের দোকানে নির্বাচনি আমেজ, জমছে আলোচনা–সমালোচনা প্রকাশিত হলো বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী ইশতেহার বিএনপি থেকে ইসলামী আন্দোলনে যোগদান, কুড়িগ্রাম–১ এ বদলাচ্ছে রাজনৈতিক সমীকরণ নদীর বুকে আশার আলো: হলোখানা ইউনিয়নে নদী তীরবর্তী মানুষের সেবায় আধুনিক সোলার নৌকা চালু। কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের আগমন ঘিরে মানুষের ঢল কুড়িগ্রামে ১০ম গ্রেড দাবিতে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, যান চলাচল বন্ধ গণভোট বিষয়ক আলোচনা সভায় পুণ্ড্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্রিয় অংশগ্রহণ নাগেশ্বরীতে বিরল ঘটনায় জন্ম নিলো কোমর থেকে যুক্ত যমজ শিশু

কাকরাইলে সংঘর্ষের ঘটনা প্রসঙ্গে যা জানাল সেনাবাহিনী

ডেস্ক রিপোর্ট / ২৫৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয় পার্টি ও গণ অধিকার পরিষদ নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় তারা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং বিভিন্ন স্থাপনায় আগুন দেওয়ারও চেষ্টা চালায়। এছাড়াও বিজয়নগর, নয়াপল্টন ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সাধারণ জনগণের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় এবং জনদুর্ভোগ বৃদ্ধি পায়। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী শান্তিপূর্ণ সমাধানের সকল চেষ্টা তারা অগ্রাহ্য করে। ফলস্বরূপ, জননিরাপত্তা রক্ষার্থে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বল প্রয়োগে বাধ্য হয়।

শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে সেনাবাহিনীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আজ রাত আনুমানিক ৮টায় রাজধানীর কাকরাইল এলাকায় দুটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় বেশ কয়েকজন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়। প্রথমে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। তবে একপর্যায়ে সংঘর্ষ বেড়ে গেলে তারা সেনাবাহিনীর সহযোগিতা কামনা করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপর আক্রমণ চালানো হয় এবং এতে কয়েকজন সদস্য আহত হন।’

বিজ্ঞপ্তিতে সেনাবাহিনী জানায়, ‘ঘটনার শুরুতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উভয় পক্ষকে শান্ত থাকতে এবং শান্তিপূর্ণ ভাবে স্থান ত্যাগ করার জন্য ও দেশের বিদ্যমান আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়া নিজেদের মধ্যে মতপার্থক্য দূর করার অনুরোধ জানায়। তবে বারংবার অনুরোধ সত্ত্বেও কতিপয় নেতাকর্মীরা তা উপেক্ষা করে মব ভায়োলেন্সের মাধ্যমে পরিস্থিতি অশান্ত করার চেষ্টা করে। তারা সংগঠিতভাবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর আক্রমণ চালায় এবং আনুমানিক রাত ৯টার দিকে মশাল মিছিলের মাধ্যমে সহিংসতা আরও বৃদ্ধি করে। এ সময় তারা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং বিভিন্ন স্থাপনায় আগুন দেওয়ারও চেষ্টা চালায়। এছাড়াও বিজয়নগর, নয়াপল্টন ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সাধারণ জনগণের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় এবং জনদুর্ভোগ বৃদ্ধি পায়। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী শান্তিপূর্ণ সমাধানের সকল চেষ্টা তারা অগ্রাহ্য করে। ফলস্বরূপ, জননিরাপত্তা রক্ষার্থে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বল প্রয়োগে বাধ্য হয়।’

আজকের উদ্ভূত ঘটনায় সেনাবাহিনীর ৫ জন সদস্য আহত হয় বলে জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

বিজ্ঞপ্তিতে সেনাবাহিনী বলে, ‘সকল ধরনের মব ভায়োলেন্সের বিরুদ্ধে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সরকারের এই সিদ্ধান্ত পুনর্ব্যক্ত করছে এবং জনমনে স্বস্তি ও নিরাপত্তা আনতে সকল ধরনের মব ভায়োলেন্সের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করতে সদা প্রস্তুত রয়েছে। জননিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও শান্তি বজায় রাখতে সেনাবাহিনী সর্বদা বদ্ধপরিকর।’

তথ্য সুত্রঃ দৈনিক সমকাল।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category